

করোনা যুদ্ধে জয়ের একমাত্র রাস্তা লকডাউন মেনে ঘড়ে থাকা । রাজ্যের নব্বই শতাংশ মানুষ লকডাউনের গুরুত্ব বুঝে নিজেদের ঘড় বন্দী রাখলেও এখনো দশ শতাংশ মানুষ এর গুরুত্ব বুঝতে পারছেন না । তাই কারণে অকারণে তারা রাস্তায় বেড়িয়ে পড়ছেন । এই নিয়ে লকডাউনের শুরুতে পুলিশ কিছুটা কড়া হবার পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তারা মানবিক হয়ে নিজেরা গান তৈরী করে লকডাউন নিয়ে মানুষ কে সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় গান শুনিয়েছেন পুলিশ কর্মীরা । এবার সেই পুলিশ দেখানো পথে মানুষ কে সচেতন করতে রাস্তায় নেমে গান গাইলেন সঙ্গীত শিল্পীরা । পর্নাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বৃষ্টি লেখা নন্দিনী ও বাশ্চিক শিল্পী মৌনিতা চক্রবর্ত্তী নিজেরা রাস্তায় নেমে গান গেয়ে কবিতা পাঠ করে মানুষ কে লকডাউন মেনে ঘড়ে থাকতে অনুরোধ করেন ।
সোদপুর পিয়ারলেস আবাসনে গান গেয়ে সচেতনার প্রচার শুরু করেন এই তিনজন । পর্ণাভ বলেন মানুষ কে গানের মধ্যে দিয়ে অনেক সহজে অনেক কিছু বোঝানো যায়। করোনা মোকাবিলায় একমাত্র রাস্তা ঘড়ে থেকে যুদ্ধ জয় করা । তাই মুখ্যমন্ত্রী যে ভাবে লড়াই করছেন তা দেখে আমরাও বাধ্য হলাম এই লড়াইয়ে সামিল হতে । তাই ঘড়ে বসে না থেকে গান গেয়ে মানুষকে লকডাউনে ঘড়ে থাকার গুরুত্ব বোঝাতে শুরু করলাম । পিয়ারলেস নগর দিয়ে শুরু হলেও এই প্রচার সর্বত্র করবে বলে জানিয়েছে পর্ণাভ । টানা পনেরো দিন ঘড় বন্দী থাকার পর ঘড়ে বসে নামী শিল্পীদের গান শুনতে পাওয়া ও ঘড়ে বসেই তাদের দেখতে পেয়ে খুশী সোদপুর পিয়ারলেস আবাসনের বাসিন্দারা ।
