
উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সদর বারাসাতের অন্যতম বড় বেসরকারী হাসপাতাল তথা রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারী মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালের তরফে করোনা ভাইরাস বা কোভিড 19 এর মোকাবিলায় শুরু হয়ে গেল স্ক্রিনিং ও আইসোলেশনের প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ । সরকারী গাইড লাইন মেনেই বেশ কয়েকটি ধাপে হাসপাতাল, রোগী ও রোগীর পরিবারকে করোনা মুক্ত রাখার প্রক্রিয়া জারী যার প্রথম ধাপে করা হচ্ছে টেম্পারেচার স্ক্রিনিং ।
রোগী বা পরিবার পরিজনের দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশী থাকলেই ইমার্জেন্সি ও ওপিডি তে ফিভার আইসোলেশন এরিয়া তে পাঠানো হচ্ছে ।যাঁদের দূরত্ব মেনে এই নিরাপদ অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের অন্যান্য লক্ষণ ও উপসর্গ জানার পাশাপাশি থাকছে তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের সম্পর্কে জরুরী তথ্য নেওয়া । তথ্যাদির মধ্যে অন্যতম হল বিগত চোদ্দো দিনে তাঁরা বা তাঁদের পরিবারের বা নিকট জনের কেউ বিদেশ ভ্রমণ করেছেন কিনা । বেসরকারী হাসপাতালের অ্যাসিটেন্ট মেডিক্যাল সুপার ডঃ অনুরাধা মজুমদার অবশ্য জানিয়ে দিলেন ওপিডি ও ইমার্জেন্সির ফিভার আইসোলেশন ওয়ার্ড থাকলেও পূর্ণাঙ্গ আইসোলেশণের সুবিধা পরিকাঠামো না থাকায় তাঁরা সেরকম বুঝলে তাঁরা রোগী স্থানান্তরিত করা বা অন্য পরিকাঠামো গত সুবিধে নিতে উচ্চতর ক্ষেত্র বা সরকারী স্তরের সঙ্গে সমন্বয় রাখছেন। তবে ব্যারিয়ার নার্সিং হচ্ছে ।
শারীরিক অবস্থা , লক্ষণসমূহ এবং সাম্প্রতিক বৈদেশিক যোগের প্রশ্নমালার উত্তরের নিরিখে ফিভার আইসোলেশানে প্রেরিতদের ক্লিনিক্যাল ইভ্যলুয়েশন বা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শ্রেণী বিভাগ করা হচ্ছে মৃদু বা চরম ফিভার আইসোলেশানে।যথাযথ গুরুত্ব অনুযায়ী চিকিত্সা করাও হচ্ছে সাবধানতা বজায় রেখে ।ডঃ অনুরাধা মজুমদার প্রাঞ্জল ভাষায় পরিষ্কার করে দিয়েছেন এখনও নিশ্চিতভাবে কোভিড 19 এর আশঙ্কা যুক্ত কেউ এই বেসরকারী হাসপাতালে আসেন নি । তথাপি তাঁরা মারন ভাইরাসের মোকাবিলায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং এর পদক্ষেপ হিসেবে কিছু বাধ্যবাধকতা রোগীর আত্মীয় পরিজনের ক্ষেত্রেও জারী করেছেন । ॥
